ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়ার পরিচয়

. বিদ্যুৎ বড়ুয়ার পরিচয়

. বিদ্যুৎ বড়ুয়া তাঁর গভীর জ্ঞান, বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অনুভব এবং সান্ত্বনাপূর্ণ ব্যক্তিত্ব তাঁকে একজন অদ্ভুত পেশাদার করে উঠিয়েছে। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সম্প্রদায়িক শিক্ষার প্রতি প্রবীণতা তাঁকে শিক্ষা সার্টিফিকেট এবং শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে সম্মানিত করেছে। সাথে করে দেশ ও জাতির জন্যেও রেখেছেন অসামান্য অবদান। উনি চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য অনেক ভাবেন। আজকে আমরা উনার সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।

ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়ার পরিচয়

. বিদ্যুৎ বড়ুয়ার পরিচয়ঃ শুরু থেকে বর্তমান

. বিদ্যুৎ বড়ুয়া ১৯৯০ সালে মেট্টিক পরিক্ষা উত্তীর্ণ করেন এবং তার স্কুল জীবনে দেশের প্রতি মমত্ববোধ রোভার স্কাউটসহ শিশু সংগঠন প্রতিষ্ঠান করেন।

১৯৯২ সালে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন এবং এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক এবং সেবামূলক সংগঠনের সাথে যোগ করতে দেখা যায়।

১৯৯৮ সালে দেশব্যাপী বন্যায় সাধারণ মানুষের জন্য রুটি ও ওরস্যালাইন বানানোর অস্থায়ী ক্যাম্প তৈরি করার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তাঁর সার্বজনীন সেবার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ ছিল। একাধিক রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ তাঁকে মানবিক কাজে সংযুক্ত করে তুলেছিলো।

বাংলাদেশের ছাত্রলীগের সমর্থক হিসেবে, . বিদ্যুৎ বড়ুয়া প্রগতিশীল রাজনীতির পরিবারে অগ্রসর হয়েছিলেন এবং সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগে ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রচার সম্পাদক হিসেবে তাঁর কার্যক্রম প্রশংসিত হয়েছিল এবং ছাত্রসংসদে তাঁর নেতৃত্বে বিভিন্ন প্রকারের সেবামূলক কাজ পরিচালনা করা হয়েছিল।

২০০০ সালে ভিপি নির্বাচিত হয়ে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে গণভবনে সাক্ষাৎ করেছেন। ২০০১ সালে রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হলে তিনি অত্যাচারীত হয়েছেন অনেকবার। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদান করেছেন। ২০০৩ সালে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে স্বাচিপ আয়োজিত হেলথ ক্যাম্পে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। ২০০৪ সালে শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলার সময় স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন, ভাগ্যকারণে বেঁচে যান।

বিদ্যুৎ বড়ুয়া পরিচয়

২০০৬ সালে কেয়ারটেকার সরকারের দাবিতে আন্দোলনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আহত নিহত সকল কর্মীদের পাশে ছিলেন সবসময়। পরবর্তীতে পাবলিক হেলথ বিষয়ে সুইডেনের বিখ্যাত কারোলিন্সকা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.ডি ও এম পি এইচ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পরবতীতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ এসিস্টেন্ট হিসেবে কাজ করেন। এছাড়া ডেনমার্কের অরহুস বিশ্ববিদ্যালয়েও রিসার্চ এসিস্টেন্ট হিসেবে কাজ করেন।

 পেশাজীবনে জনস্বাস্থ্য বিষেশজ্ঞ হিসেবে কাজ করছেন। প্রবাসে থাকা কালীন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন নিষ্ঠার সাথে। এছাড়া জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। এবং আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন।

বর্তমানে পাবলিক হেলথ ফ্যাকাল্টি হিসাবে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে কাজ করছেন। ব্যক্তিগত জীবনে দুই সন্তানের জনক। বাবা অ্যাডভোকেট সুনীল কান্তি বড়ুয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আইনজীবী। মাগৃহিনী। একমাত্র ভাই ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াবর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক।

এই হলো বিদ্যুৎ বড়ুয়া। তিনি আজ যে কাজ শুরু করেছেন। তা করবার জন্য যে শক্তি তা তিনি আগেই সঞ্চয় করেছিলেন। ছাত্র জীবন থেকেই রয়েছে তার সাংগঠনিক দক্ষতা। রযেছে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা। আমি মনে করি এই মানুষগুলোকেই রাজনীতিতে সম্মুখে নিয়ে আসা উচিত। জাতীর সংকটে যিনি জীবন বাজি রাখতে পারেন তিনিই তো প্রকৃত রাজনীতিক, তিনিইতো মানুষের বন্ধু। আমরা আশা করি ফিল্ড হাসপাতালের মাধ্যমে ডাক্তার বিদ্যুদ্বৃন্দ বঙ্গবন্ধু সুপ্রসিদ্ধ স্বাস্থ্যবিষয়ে নিজের কাজের ক্ষেত্রে দেশ ও জনগণকে ধারণা দেবেন। এই কাজই তাকে জনগণের কাছে নিয়ে যাবে।

. বিদ্যুৎ বড়ুয়ার অ্যাওয়ার্ড 

বিদ্যুৎ বড়ুয়া তার মানবিক কাজের জন্য অনেক সময় অনেক রকমের সম্মানি পেয়েছেন তার মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য হলোঃ 

ভারত খেতাম

 কোভিড১৯ মহামারীর প্রকোপ শুরু হলে গত বছর ২১ এপ্রিল বাংলাদেশে বেসরকারি উদ্যোগে প্রথম বিশেষায়িত হাসপাতালচট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালপ্রতিষ্ঠা করেন ডা. বিদ্যুদ্বৃন্দ বঙ্গবন্ধু সুপ্রসিদ্ধ স্বাস্থ্যবিষয়ে নিজের কাজের ক্ষেত্রে। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে ভারত, বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মোট ১৩ জন চিকিৎসককে এই খেতাবে ভূষিত করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা ইয়্যুথ ভলান্টিয়র 

২০২০ সালে, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. বিদ্যুত বড়ুয়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণের পরিস্থিতিতে সম্প্রতি সহায়ক হয়ে চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালে (www.mycfh.org) মাত্র ১৪ দিনে নাভানা গ্রুপের জায়গায় সাধারণ

জনগণের করোনা রোগীদের সেবা দিয়েছেন। সেখানে আন্তরিকতা, সেবা, এবং ভালোবাসা কে মূলমন্ত্র ধরে রোগীদের চিকিত্সা, ঔষধ, খাবার ও ল্যাব টেস্টসহ সকল সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। ডা. বিদ্যুত বড়ুয়া নিজেই এই সম্পর্কে অত্যন্ত সাবলীল এবং সমর্পিত ভাবে তার সময় সর্বাংগিণ সেবার কাজে

নিয়ে সাবলীল অবদান রেখেছেন। চিকিত্সক, নার্স, স্বেচ্ছাসেবী সহ সবাইকে নিয়ে ডা. বিদ্যুত বড়ুয়া রোগীদের সাথে একই সঙ্গে একই ছাদের নিচে থেকে সেবা প্রদান করেন। এরপরে, এই ফিল্ড হাসপাতাল দেশের বিভিন্ন স্থানে কোভিড আইসোলেশন সেন্টার ও অক্সিজেন ব্যাংক গড়ে তুলেছিলেন। যার জন্য তিনি ২০২০ সালে  শেখ হাসিনা ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার খেতাব পান।

কোভিড১৯ ফ্রন্টলাইনারসম্মাননা

অত্যন্ত সম্মান্য ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া কোভিড১৯ ফ্রন্টলাইনার সম্মাননা পেয়েছেন। তার প্রকারে কোভিড১৯ প্রতিকার করতে বিশেষ ক্ষমতা এবং সফল প্রয়াসের জন্য তার সকল প্রচেষ্টা ও দৃুত সেবা সর্বদা মোতাবেক করা হয়েছে। এই মহান প্রয়াসের মাধ্যমে, ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া অত্যধিক প্রশংসা ও সম্মান ভোগ করেছেন এবং তার কর্মক্ষেত্রে এক আদর্শ স্বরূপ উদ্দীপ্ত হয়েছেন। তার সকল সঙ্গী এবং জনগণ করোনাভাইরাসের সাথে লড়াইয়ে দেশের মানুষের জন্য অপরিসীম প্রয়াস এবং সেবা প্রদানের জন্য তাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ বড়ুয়া পরিচয়চট্টগ্রামে নাছির উদ্দীন ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়াকে সংবর্ধনা

চট্টগ্রামে আ জ ম নাছির উদ্দীন ও ডা. বিদ্যুত বড়ুয়া কে সংবর্ধনা করা হয়েছে। তাদের অত্যধিক কর্মক্ষেত্রের প্রতিভা, সক্রিয় ভূমিকা এবং করোনাভাইরাস প্রতিকারের মহান প্রয়াসের জন্য তাদেরকে সর্বোচ্চ সম্মান জানানো

হয়েছে। তাদের সেবা, প্রচেষ্টা এবং দৃুত প্রতিক্রিয়ার মাধ্যaমে তারা চট্টগ্রামের জনগণের জন্য অপরিসীম সহায়ক হয়েছেন। তাদের প্রয়াসের মাধ্যমে সেবা প্রদানের এই সাদর প্রয়াস ও কাজের জন্য তাদের সকল সঙ্গীকে প্রশংসা জানানো হয়েছে। চট্টগ্রামের এই দুজনের মহান সেবা প্রদানের জন

 

মেয়র পদক ২০২২ যুব আদর্শ সম্মাননাপেলেন ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া

মেয়র পদক ২০২২ এ ডা. বিদ্যুত বড়ুয়া যুব আদর্শ সম্মাননা পেয়েছেন। তার মেয়র পদক অর্জনের মাধ্যমে তার উচ্চতর প্রশংসা এবং প্রতিষ্ঠানের সেবা প্রদানের জন্য তার সকল প্রচেষ্টা ও প্রয়াসের সাথে সম্মান প্রদান করা হয়েছে। এই মহান সম্মাননার মাধ্যমে, তিনি যুব আদর্শ সম্মাননা অর্জন করেছেন এবং তার কর্মক্ষেত্রে এক আদর্শ স্বরূপ উদ্দীপ্ত হয়েছেন। তার সেবা, সক্রিয়তা এবং প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি যুব আদর্শ সম্মাননার প্রাপ্ত হয়েছেন। এই মেয়র পদক অর্জনের উদ্দীপ্ত অবসরে, ডা. বিদ্যুত বড়ুয়া কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। তার কর্মক্ষেত্রে আরও সফলতা এবং উচ্চতর সম্মান প্রাপ্ত করার জন্য তাকে উদ্দীপ্ত করা হয়েছে।

পরিশেষে 

সমাপ্তিতে বলতে গেলে, ডা. বিদ্যুত বড়ুয়া একজন অত্যন্ত সামর্থ্যশালী এবং উদ্দীপ্ত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। তার কর্মক্ষেত্রে তিনি কঠোর প্রচেষ্টা এবং সফলতা অর্জন করেছেন, সেইসাথে তিনি করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময়ে সাধারণ জনগণের প্রতি অপরিসীম সহায়ক হয়েছেন। তার এই সেবা, সক্রিয়তা এবং উচ্চতর প্রশংসা সেই মেয়র পদক ২০২২ যুব আদর্শ সম্মাননা অর্জনের কারণ হয়েছে। তার অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রয়াসে তিনি চট্টগ্রামের মানুষের হৃদয়ে স্থান পেয়েছেন এবং সংসার বা প্রতিষ্ঠানের প্রশংসা ও সম্মানের মতো একটি গৌরবপূর্ণ সম্মাননা অর্জন করেছেন। ডা. বিদ্যুত বড়ুয়ার সেবা প্রদানের এই উদ্দীপ্ত উদাহরণ তার উদ্দীপ্ত ইচ্ছা এবং প্রতিবাদিতা দেশের স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও উন্নতি ও উন্নতির জন্য এক সুন্দর সন্ধান করার প্রত্যাশা জাগানো উচ্চতর মাধ্যম। তার সম্মাননা এবং যুব আদর্শ সম্মাননা অর্জনের মাধ্যমে তিনি মানবকে আন্তরিক ভাবে সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি জানানো এবং এই উদ্দীপ্ত উদাহরণ উদ্বৃত্ত করেছেন।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button